১৯নং পূর্ব চরমটুয়া যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় সাবেক ছাত্রদল নেতা- রাসেল মাহমুদ
১৯নং পূর্ব চরমটুয়া ইউনিয়ন ছাত্রদলের সাবেক সফল আহ্বায়ক, বর্তমানে ইউনিয়ন যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থীতা নিয়ে গুঞ্জন রয়েছে। রাজপথের আন্দোলন সংগ্রামে মামলা,হামলা নির্যাতিত এবং নিপীড়িত ছাত্রনেতার হাতে নেতৃত্ব গেলে সংগঠন লাভবান হবে। RTD টিম রাসেল মাহমুদ ভাইয়ের সাথে যোগাযোগ করলে উনি বলেন, আমি বর্তমান জেলা যুবদলের সাধারণ সম্পাদক নুরুল আমিন খান ভাই নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি থাকাবস্হায় উনার সাথে ছাত্র রাজনীতি শুরু করে,আন্দোলন সংগ্রামে উনার নেতৃত্বই অংশ গ্রহণ করি,রাজনীতিতে ত্যাগ,শ্রম সংগ্রাম এবং ফ্যাস্টিট আওয়ামী লীগ দ্বারা মামলা নির্যাতনের বিষয়ে নোয়াখালী জেলা যুবদল ও সদর উপজেলা যুবদল সহ সকল নেতৃবৃন্দ অবগত আছেন। আমি ছাত্রদলের দায়িত্ব থাকার সময় সংগঠনকে শক্তিশালী করার জন্য ইউনিয়নে একটি মাদরাসা কমিটি এবং ৯টি ওয়ার্ড কমিটি সহ ১০ টি ইউনিটের কমিটি দিয়েছি যা আওয়ামী দুঃসময়ে কেউ দিতে পারে নাই। আমরা শতভাগ দলকে সার্ভিস দিতে গিয়ে শুধুমাত্র ২৮ শে অক্টোবরের পর থেকে ৫ই আগস্ট পর্যন্ত ৪টি রাজনৈতিক মামলা খেয়েছি, দলের পক্ষে লেখালেখি করার কারনে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে কুমিল্লাতে একটি মামলা হয়েছে আমার নামে,পারিবারিক অর্থনৈতিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছি,আওয়ামী লীগ দ্বারা দুইবার হামলার শিকার হয়েছি, আসা করি নেতৃবৃন্দ আমার ত্যাগের অবমূল্যায়ন করবেন না। রাজনীতিতে পদ পদবীর প্রতিযোগিতা থাকবে কিন্তু কেউ যদি কোন গুজব রটায় আমার রাজনৈতিক ত্যাগ নিয়ে তাহলে আমি ঐ প্রতিযোগীকে চ্যালেন্জ ছুঁয়ে দিলাম তারা যেনো আমার সাথে সরাসরি বসে।